28 February, 2011

বিশ্ব কাপ-২০১১


৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধ,বাঙ্গালী রমণীরা রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা। কখনও তাদের স্ব-প্রনোদিত অংশগ্রহণ কিংবা স্বামী,সন্তান ও প্রেয়সীকে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্যে যুদ্ধে যোগিয়েছে অনুপ্রেরনা,দিয়েছে আনেক আতœত্যাগ। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এমনকি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ,স্কুল,ব্যাবসা-বানিজ্য,শিল্প-কারখানা ও রাজনিতিতে এখন পর্যন্ত নারীদের অংশগ্রহণ উন্নায়নশীল অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। আর সেই দেশের নারীরা দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে বাংলার দামাল ছেলেদের উৎসাহ যোগতে মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে থাকবে এটা ভাবাই যায় না। তাই বিশ্ব কাপের অনুষ্ঠিত দুটি ম্যাচেই পুরুষদের পাশাপাশি উল্ল্যেখ করার মত নারি দর্শকের মাঠে উপস্থিতি ছিল চোখে পরার মত। আর এতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আতœবিশ্বস বাড়াতে সাহায্য করেছে অনেকটাই এটা বলা চলে নিঃসন্দেহে। এই নারী দর্শকদের উপস্থিতি বিশ্ব দরবারে আবারও প্রতিষ্ঠিত হল-বাংলাদেশ কোন উগ্র ধর্মীয় অনুশাষনের দোহাই দিয়ে নারীকে ঘরে বন্দি করে রাখার মন-মানষিকতা পোষন করে না। তাছাড়া শালিনতা আর ভদ্রভাবে যে কোন অনুষ্ঠানেই বঙ্গালী পুরুষের পাশাপাশি রমনিদের উপস্থিতি বাংলা সংস্কৃতির ধারক-বাহকও বটে। মৌলবাদী ও উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠির কাছে হয়ত এই বিষয়টি এত সহজে মেনে নেওয়া কিংবা এর বিরোদ্ধে সোচ্চার বিরোধিতা আসাটাই ছিল স্বাভাবিক,কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদের এই কর্য্যক্রম হালে পানি পাবে না তাও তার বুঝতে পরছে। চার দেয়ালে বন্দি করে রাখার মন মানসিকতা এখনও যাদের মনের কোনে আছে বা ছিল তারা পারিপার্শি¦ক অবস্থা দেখে অনেক আগেই পিছু হটেছেন কারন বাংলাদেশে এমন কোন পেশা নেই যেখানে নারী উপস্থিতি কম-বেশী নেই,সফলতাও এসেছে কাংক্ষিত। শুধু মাঠে নয় ঘরে বসে টিভিতে খেলা দেখতে দেখতে তসবিহ হাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শুভ কামনায় চোখের জল ফেলেছে আনেক মা। পরিশেষে শুধু বলতে চাই অনেক কিছু হারিয়ে আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষা, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি বাংলাদেশ-্এবার এই বাংলার দামাল ছেলেরাই বাংলা ভাষা আর বাংলাদেশকে তুলে ধরবে বিশ্ব বাসির কাছে “আমরাও এগুতে জানি,অমরাও কিছু করতে পারি”। সাবস বাংলাদেশ এগিয়ে চল তোমরা ১১জন সাথে আছে ১৬ কোটি বাঙ্গালীর হৃদয় নিংরানো ভালোবাসা আর মা-ভোনের দোয়া আশির্বাদ। ৫২-৭১ এর পর এই যুদ্ধে জয়ী আমরা হবই-হতেই হবে,শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র।

রাজনিতির গ্যাড়াকল

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ক্ষমতায় গেলে ভুলে যায়!!

 ভূমিহীন সংগঠনের সম্মেলন বক্তারা


            বড় দলগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মুক্তির কথা বলে, তাদের অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, সংস্কৃতির প্রানবন্ত ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার কথা বলে। ক্ষমতায় গিয়ে তারা ধনিক গোষ্ঠীর তাবেদারী করে, ধনিকেরা আরো ধনি গরিবকে আরো গরিব বানানোর আইন প্রণয়ন থেকে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকে। রাজনৈতিক বিবেচনায় দলীয় নেতা কর্মী, সন্ত্রাসী- ক্যাডার-মাস্তানরা  সুবিধাভোগ করে আর   আমরা দরিদ্র ও ভূমিহীনরা সব সময়ই সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছি।  দেবিদ্বার উপজেলা গোমতী পাড়ে লক্ষিপুর ভূমিহীন সংগঠনের আঞ্চলিক সম্মেলনে বক্তারা ওই বক্তব্য তুলে ধরেন।

           বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতায় সীমাবদ্ধ রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কালোবাজারী ও ব্যবসায়ীদের সাথে আপোষ করেছে, আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতী রোধের ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ্য দেড় যুগধরে গোমতীপাড়ের আশ্রীতদের পুনর্বাসনের দাবীতে আন্দোলনের কথা সংসদ পর্যন্ত গড়ালেও বাস্তবায়নের আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই পাইনি। রাজনৈতিক বিবেচনায় খাস জমি বিতরন হচ্ছে, প্রকৃত ভূমিহীনরা সে বিবেচনায় অনুপস্থিত। বক্তারা ৭২’র অক্ষত সংবিধান পূনর্বহাল এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য দ্রুত বাস্তবায়নের দাবী জানান।

          লক্ষিপুর ভূমিহীন সংগঠন আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পরেশ রঞ্জন কর, বাংলাশের কমিউনিস্ট পার্টি দেবীদ্বার উপজেলা কমিটির সভাপতি আবুল বাশার, নিজেরা করি সংস্থার কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি আলী আশরাফ, আওয়ামীলীগ দেবীদ্বার উপজেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিদ্দিকুর রহমান ভূইয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ন্যাপ নেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান, ভূমিহীন নেতা তজু মিয়া, আবুল কাসেম, আব্দুল অদুদ, আবুল হাসেম রাহেলা বেগম প্রমূখ।

27 February, 2011

ভিপি কামাল


মহান স্বাধীনতার চেতনায় লালিত ক্রীড়া,সংস্কৃতি সমাজকল্যাণমুলক ও মাদক বিরোধী শিশু-কিশোর-যুব সংগঠন “স্বাধনিতা সংসদ” কতৃক প্রদত্ত একুশে স্বর্ণপদক ২০১১ ইং পেলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যনের খেতাব প্রপ্ত দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান এ,কে,এম শফিকুল আলম কামাল।

গত ২৫ই ফেব্রোয়ারী ২০১১ ইং বিকাল ৫ ঘটিকায় সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে “মাতৃভাষা আমার অহংকার, মাতৃভাষা পৃথীবির অলংকার”শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও একুশে স্বর্ণপদক-২০১১ বিতরন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গন প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের মানণীয় প্রতি মন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির। অনুষ্ঠানরি শুভ উদ্বোধন করেন ৫২‘র রাষ্ট্রভাষা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ও মহান ভাষা সৈনিক ড.আব্দুল মতিন। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন মহান ভাষা সৈনিক প্রফেসার ডাঃ মির্জা মাজহারুল ইসলাম। উক্ত অনষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখায় বেশ কয়েকজন গুনি ব্যাক্তিকে একুশে স্বর্ণ পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় সম্বন্নীত উন্নায়ন ফাউন্ডেশন কতৃক বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান পুরুস্কার প্রাপ্ত জনাব এ,কে,এম শফিকুল আলম কামাল এর হাতে এই অনারম্বর অনুষ্ঠানে ২১‘শে স্বর্ণপদক তুলে দেন ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন।  এ সময় বিশিষ্ট সমাজ সেবক,রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব,সাংবাদিক সহ বিপুল জনগেষ্ঠির উপস্থিতির অনারম্বর অনুষ্ঠানটি উপন্থাপনা করেন স্বধীনত সংসদের মহাসচিব সাহেদ আহম্মদ।

23 February, 2011

local sarvise

tasting vedio........

22 February, 2011

দিবা স্বপ্ন




বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, তিউনিসিয়ার মতো বাংলাদেশের বর্তমান শাসকশ্রেণীকেও পালিয়ে যেতে হতে পারে। কিংবা মিসরের মতো মানুষ বিক্ষোভমুখী হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশেও। B`vwbs Aek¨ Zvi `‡ji †ek wKQz †bZv‡`i gy‡LI GKB eywj ïbv hv‡”Q। আমরা জানি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জামায়াত-বিএনপি জোট ২০০১-২০০৬ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল। এরপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান মহাজোট ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান সরকার এমন কোন স্বৈরাচারী সরকার নয় যার তুলনা তিউনিস কিংবা কায়রোর সঙ্গে করা চলে।  তিউনিসিয়ার শাসক জইন আল আবেদিন বিন আলির পতন ঘটেছে। তিনি গেল ২৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিউনিসের তখত জুড়ে বসেছিলেন। তার পরিবারের বিরুদ্ধে চরম দুর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তিনি রাষ্ট্র ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এর পরপরই কেঁপে উঠেছে মিসর।
মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক সে দেশের গদিতে গেল প্রায় তিন দশক ধরে। মানুষ পরিবর্তন চাইছে। বলা হচ্ছে, মিসরে উস্কানির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে। তা আছে কিনা, তার সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করা না গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন পরোক্ষভাবে বলেছেন, কোনভাবেই যেন কায়রোতে প্রাণহানি না ঘটে। সেনাবাহিনী যেন মিসরীয়দের ওপর হামলা না করে। পৌর করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করার পর খালেদা জিয়ার মনোবল কিছুটা বেড়েছে। তার সঙ্গে সঙ্গে নবীগঞ্জ-বাহুবল (হবিগঞ্জ-১) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হওয়ার ঘটনাও তার পালে হাওয়া লাগিয়েছে। নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনটির এমপি ছিলেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক দেওয়ান ফরিদ গাজী। তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। এ আসনে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়া হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার জন্ম মাটি এ আসনে, তার পুত ড. রেজা কিবরিয়ার নাম এসেছিল। এসেছিল দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র দেওয়ান শাহ নেওয়াজ গাজী মিলাদের নামও। প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন সুরঞ্জন দাশ। না, তাদের কাউকেই মনোনয়ন দেয়া হয়নি। আমার মতে, আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকে ধস নামার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণটি হচ্ছে, আওয়ামী লীগের একলা চল নীতি। কারণ আওয়ামী লীগ মহাজোটের নামে নির্বাচন করে যৌথভাবে ক্ষমতায় এলেও তাদের একক আসন সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ থাকায় তারা মহাজোটের প্রয়োজনীয়তা বেমালুম ভুলে যাচ্ছেন। উদাহরণ হিসেবে হবিগঞ্জ-১ আসনের কথাই বলা যায়। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল মুনিম চৌধুরী প্রায় ২০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মুশফিক হেরেছেন মাত্র দেড় হাজার ভোটের ব্যবধানে। এ উপনির্বাচন কিংবা পৌর মেয়র নির্বাচন জানান দিয়ে গেছে, মহাজোটের ঐক্য এখনো কতটা অপরিহার্য।মনে রাখা দরকার আওয়ামী লীগের সিনিয়র, প্রভাবশালী নেতাদের অনেকের আসনেই পৌর মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চরম ভরাডুবি হয়েছে।এর নেপথ্য কারণ খোঁজা খুবই জরুরি।
আড়িয়ল বিলে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ ইস্যুটির প্রকাশ্য বিরোধিতা  করেছেন খালেদা জিয়া। আমরা দেখেছি  আড়িয়ল বিল অঞ্চলের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। খালেদা জিয়ার ভাষায়, 'ঢাকা বিমানবন্দরকেই আরও মানসম্মত করা যায়। নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের প্রয়োজন কী? তবে বিশেষ কোন ব্যক্তির নামে স্থাপনা নির্মাণ বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। কারণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু যখন রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তালিকায় স্থান পাচ্ছে তখন যেনতেন যে কোন ইস্যুতেই সরকারের চেইন অফ কমান্ডের ওপর আঘাত হানতে বিরোধীপক্ষ তৎপর হতেই পারে।
বাংলাদেশের মানুষের মনে আছে খালেদা জিয়া কীভাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন করে দেশের মানুষকে বোকা বানিয়েছিলেন। নিজেই সেই স্বৈরাচারী মনোভাবের কথা ভুলে গিয়ে এখন তিনি গণতান্ত্রিক সরকারকেই নসিহত শোনাছেন! বলা দরকার, চরম জঙ্গিবাদীদের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা না করলে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সংসদীয় আসন ত্রিশের কোটায় নেমে আসত না। বিএনপি মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা এবং কট্টর জঙ্গিবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে এ প্রজন্মের মনে যে ভীতি সঞ্চার করেছে, তা সহজে ভুলে যাওয়ার নয়।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগেরও ক্ষমতা পেয়ে খুব বেশি আহলাদিত হওয়ার কোন কারণ নেই। কারণ দুই বছর শেষ হয়েছে। বাকি তিন বছরে দলে এবং সরকারে শৃঙ্খলার শীর্ষতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে জনগণ ভিন্ন চিন্তা করতে বাধ্য হবে। আর সেই আলোকে মন্ত্রিপরিষদে অভিজ্ঞদের মূল্যায়ন এবং মহাজোট নেতাদের আরও কাজ করার সুযোগ দেয়া খুবই দরকারি বিষয়।